৫টি বুদ্ধিমান নেগোসিয়েশন কৌশল
১. মার্কেট রেট রিসার্চ করে যান: ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগেই গ্লাসডোর (Glassdoor), লিঙ্কডইন বা পরিচিতদের কাছ থেকে সেই পদের গড় বেতন (Industry Standard) কত তা জেনে নিন।
২. নির্দিষ্ট অঙ্কের বদলে 'Range' বলুন: এক্সাক্ট কোনো অ্যামাউন্ট না বলে রেঞ্জ বলুন। যেমন: "আমি ৩০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকার ব্র্যাকেটে আশা করছি।"
৩. নিজের যোগ্যতার ভ্যালু যুক্ত করুন: কেন আপনি এই বেতন ডিজার্ভ করেন তা আপনার স্কিল ও অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়ে উপস্থাপন করুন।
৪. সুযোগ-সুবিধাও (Benefits) যুক্ত করুন: কেবল টেক-হোম সেলারি নয়, উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল অ্যালাউন্স ও ট্রান্সপোর্ট সুবিধা হিসাব করে কথা বলুন।
৫. প্রথমে রিক্রুটারকে বাজেট বলতে দিন: সম্ভব হলে বিনয়ের সাথে বলুন: "স্যার, এই পদের জন্য আপনাদের নির্ধারিত বাজেটের স্কেলটি যদি বলতেন, তবে আমার সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হতো।"
আত্মবিশ্বাসী সিভির সঙ্গী ChakriBondhu!
একটি শক্তিশালী সিভিই কিন্তু ভাইভা বোর্ডে আপনাকে ভালো বেতনের নেগোসিয়েশন করার আত্মবিশ্বাস দেয়!
নিজের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে সবচেয়ে প্রফেশনাল উপায়ে রিক্রুটারের সামনে তুলে ধরতে আজই ভিজিট করুন চাকরি বন্ধু (ChakriBondhu.com)।
আমাদের Smart CV Builder দিয়ে তৈরি করুন আকর্ষণীয় ATS-Friendly CV এবং নিজের যোগ্যতার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন ছিনিয়ে আনুন!
আজই চলে আসুন ChakriBondhu.com-এ!
